দক্ষিণ আফ্রিকায় নিরীহ-নিপীড়িত প্রবাসী বাংলাদেশীরা- নেই কারো কনো উদ্যোগ

SAPB | JOHANNESBURG | RSA

প্রকাশিত : সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী বাংলাদেশী

তারিখ : ২০ মে ২০১৯ সোমবার,১০:২০ পিএম 

===================================

 দক্ষিণ আফ্রিকায় নিরীহ-নিপীড়িত প্রবাসী বাংলাদেশীরা- নেই কারো কনো উদ্যোগ

_________________________________________  


সাউথ আফ্রিকায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গত ১৮ই মে ২০১৯ ইং তারিখ পর্যন্ত চুরি ডাকাতি সহ বিভিন্ন ঘটনায় খুন হয়েছে ৩৬ জন বাংলাদেশী নাগরিক।


২০১৮ সালে খুন হয়েছে ১৫৬ জন বাংলাদেশী নাগরিক।এই সব খুনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপরাধীর বিরুদ্ধে ভিকটিমদের পক্ষ থেকে একটি মামালও দায়ের হয়নি।কিন্তু কেনো, তা অজানা!


এই পর্যন্ত যে সব মামলা সংশ্লিষ্ট থানায় দায়ের হয়েছে তাহলো ইউ ডি (আন নেছারেল ডেইথ)।যা সরকারি ভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছে।


হরহামেশা বাংলাদেশী নাগরিক খুনের শিকার হয়ে আসলেও এই ব্যাপারে বাংলাদেশ এ্যাম্বাসী,বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের কোন উদ্বেগ উৎকন্ঠা লক্ষ্য করা যায়নি।


জোহানেসবার্গ কেন্দ্রীক বিভিন্ন বাংলাদেশী সংগঠন গজিয়ে উঠলেও এই ব্যাপারে কারো কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আদোও লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা।


যেমন সোমালিয়ান,ইউথোপিয়ান,পাকিস্তানিদের কোন নাগরিক খুন হলে তাদের কমিউনিটির পক্ষ থেকে মামালা দায়ের করে নিজস্ব তহবিলের টাকা দিয়ে ল'ইয়ার নিয়োগ করে মামাল পরিচালনা করা হয় এবং ভিকটিমদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়।


কিন্তু একজন বাংলাদেশীর মৃত্যু হলে,আমাদের দায়িত্ব হলো, ফেইসবুকে একটি স্টাটাস, আমিন, ইন্নালিল্লাহি এই পর্যন্ত করে আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করি।


এটি দুক্ষজনক হলেও বাস্তব সত্য।আমরা প্রবাসী এবং এই আমরা প্রবাসীরাই বাংলাদেশের নানান দিকের উন্নয়নের অন্যতম কারিগর।


বাংলাদেশ সরকার চাইলে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সাহয্য নিয়ে বিষয়গুলো হয়তো সমস্যা সমাধান করা যায় নয়তো সরকারী ভাবে জাতিসংঘের সাহায্যে উপর থেকে উচ্চচাপ দেয়া যায়।যেমনটি ইন্ডিয়া এবং চায়না করে চলেছে।তাদের হয়তো গোড়া মজবুত।


আমরা প্রবাসী বলে দেশে যেমন অবহেলিত ঠিক তেমনি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তার চেয়েও বড় বেশি অবহেলিত।আমাদের এক একটি ভাইকে খুন করে দেশের এক একটি পরিবারের উজ্জ্বলতার আলোর প্রদীপ চিরতরে নিভিয়ে দেয়া হচ্ছে।আর আমাদের অভিভাবকদের কোন খবরই নেই।


অথচ এই বিষয়ে আদোও আমরা কোন একটি সরকারী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কনো প্রকার সহায়তা কিংবা সমস্যা সমাধানের পথ খুজে পাইনি।


নিরাপত্তা তো দুরের কথা, যদি সরকারীভাবে সরকারীদল থেকে একটি মোবাইল কল দিয়ে সাউথ আফ্রিকায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের খুন হত্যার কথা গুলো প্রকাশ করা যেতো, চাপে রাখা হতো, 


তাহলে হয়তো সাউথ আফ্রিকায় আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীরা এমনটি অবহেলিত বিচারবিহীনতায় ভুগতে হতো না।শত শত মায়ের বুক খালি হতে দেখা যেতোনা।

Comments

Popular posts from this blog

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ফের চালু হচ্ছে রিফিউজি সেন্টার